পটুয়াখালী ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালী ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:
পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের দুই দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হলো। স্বজনদের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে অবস্থিত ইপিজেডের প্রধান ফটক সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্বাস সিকদার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর থেকে গত দুই দিন ধরে আব্বাস বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তাঁর চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
আব্বাসের অকালমৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
ছেলের মৃত্যুর পেছনে স্থানীয় নির্বাচনী ও রাজনৈতিক শত্রুতাকে দায়ী করেছেন নিহত আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার। তিনি বলেন, “আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে প্রচারণামূলক পোস্টার দেওয়ার পর থেকেই একটি মহলের সঙ্গে শত্রুতা বেড়ে যায়। এলাকায় ওদের সাথে আব্বাসের বিরোধ ছিল। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষ হলে আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: