বরগুনার আমতলীতে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ
হাফিজ খান, বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার আমতলীর চাওড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শিলা নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন একই এলাকার প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে মোঃ মিলন হাওলাদার।গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ ইংরেজি তারিখে রোজ রবিবার সকাল সাড়ে দশ ঘটিকার সময় ঘটনাটি ঘটে। শিলার স্বামী ও শাশুড়ি জীবিকার তাগিদে বাহিরে কাজে থাকায় সেই সুযোগে মিলন ঘরে ঢুকে শিলার উপর ঝাপিয়ে পারে, অনেক ধস্তাধস্তি করে শিলাকে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে শিলা বলেন,আমি আমার বাচ্চা নিয়ে ঘরের ভিতরে ছিলাম।হঠাৎ মিলন হাওলাদার আমার বাড়িতে আসে।এসে আমার স্বামী এবং শাশুড়ির কথা জিজ্ঞাসা করে।আমি বলেছি তারা কাজের জন্য বাইরে আছে।তখনই মিলন জোর করে আমার গালে একটি চুমু দেয় এবং সাথে সাথে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়।আমার ছোট্ট একটি বাচ্চা ঘরের ভিতরে ঘুমিয়ে ছিল।মিলন জবরদস্তি করে আমার শরীরের কাপড়-চোপড় খোলার চেষ্টা করে।
আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।ধস্তাধস্তির কারণে আমার বাচ্চার ঘুম ভেঙ্গে যায়। আমার দেড় বছরের বাচ্চার কান্নাকাটি ও আমার ডাক চিৎকারে পাড়া-প্রতিবেশী ছুলে এলে মিলন তখন দৌড়ে পালিয়ে যায়।পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনি আমাকে বলেন এ বিষয়টি যদি কাউকে জানাই তাহলে পরবর্তীতে আমাকে মেরে ফেলবে।বিষয়টি আমি আমার স্বামী এবং আমার শাশুড়ি কে জানিয়েছি। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে মিলন হাওলাদারের বউ আমার ভাইকে মুঠো ফোনে কল দিয়ে বলে তোমাদেরকে ১০ হাজার টাকা দেবো এটা নিয়ে কোন ঝামেলা করিও না।
এ ব্যপারে শিলার স্বামী এবং শাশুড়ি মিলনের বাবা রাজ্জাক হাওলাদার চাচা পাশা হাওলাদার ও বাবুল হাওলাদার (মাষ্টার) এদের কাছে বিচারের জন্য যায় কিন্তু তারা বিচারের আশ্বাস না দিয়ে উল্টো তাদেরকে শাসিয়ে দিয়েছে। শিলার স্বামী ও শাশুড়িকে হুমকি দিয়ে বলেছেন যদি এটা নিয়ে কোনো ঝামেলা করো তাহলে তোদেরকে এলাকা ছাড়া করে দেবো। এ বিষয়ে ধর্ষণের চেষ্টাকারী মিলন হাওলাদার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার হলে বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে ফোন কলটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াকুব হোসাইন বলেন ধর্ষণ চেষ্টা বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি। যদি লিখিত অভিযোগ পাই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
দৈনিক পুনরুত্থান /
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: