• ঢাকা
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. উৎসব / দিবস

শারদীয় দুর্গোৎসব বিদায়ের আগে সিঁদুর খেলায় মাতোয়ারা নারীরা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:২৬ পিএম;
শারদীয় দুর্গোৎসব বিদায়ের আগে সিঁদুর খেলায় মাতোয়ারা নারীরা

ঢাকের কাঠি, ধূপ-ধূনার সুবাস আর শঙ্খধ্বনিতে চারদিকে বিদায়ের সুর। আনন্দ বিষাদে সম্পন্ন হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। তিথি অনুযায়ী ছয় দিনের অতিথি মা দুর্গা আজ ফিরছেন কৈলাসধামে। 

মায়ের বিদায়বেলায় নওগাঁয় মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা দিয়েছে  আনন্দ-বেদনার রক্তিম দৃশ্যপট, যেখানে লাল-সাদা শাড়ির সমাহারে দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলায় মেতেছেন নারীরা।

তিথি অনুযায়ী ছয় দিনের অতিথি মা দুর্গা আজ ফিরছেন কৈলাসধামে। 

মায়ের বিদায়বেলায় নওগাঁয় মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা দিয়েছে  আনন্দ-বেদনার রক্তিম দৃশ্যপট, যেখানে লাল-সাদা শাড়ির সমাহারে দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলায় মেতেছেন নারীরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীর সকাল থেকেই নওগাঁর মণ্ডপে মণ্ডপে নেমেছিল ভক্তদের ঢল। শেষবারের মতো দেবী দুর্গার দর্শন পেতে এবং মায়ের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিতে মণ্ডপগুলোতে ছোটেন তারা।

সরেজমিন শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, পূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তির পর শুরু হয় দেবী মায়ের পা ছুঁয়ে বিদায় জানানোর পর্ব। বিবাহিত নারীরা একে অপরের গালে ও কপালে মেখে দেন লাল সিঁদুর। ঢাকের তাল, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। ভক্তদের প্রত্যাশা—আগামী বছরগুলোতেও যেন সবাই একসঙ্গে আনন্দ ও সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে পারেন।

শহরের শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালী মন্দিরে (শিব মন্দির) সিঁদুর খেলায় অংশ নেওয়া স্নেহা সরকার বলেন, ‘আজ আমাদের দশমীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার দিনগুলো শেষ হলো। এবার তো ছয় দিন ধরে আমরা উৎসব করেছি। সকালে অঞ্জলি দেওয়া ও সিঁদুর খেলা শেষ হলো। সিঁদুর খেলার অপেক্ষায় আমরা সবাই সারা বছর থাকি—কখন মাকে সিঁদুর ছোঁয়াব। 

একই মণ্ডপে আরেক ভক্ত আরতি সরকার বলেন, ‘সিঁদুর খেলা শুধু একটি প্রথা নয়, এটি আমাদের নারীদের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও বন্ধন দৃঢ করার মাধ্যম।

সিঁদুর ছোঁয়ানোর মাধ্যমে আমরা সবাই একে অপরের জন্য মঙ্গল প্রার্থনা করি। এছাড়া সিঁদুর লেপনের সময় মায়ের কাছে পরিবারের সবার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছি।’

এদিকে, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে নওগাঁ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ছোট যমুনা নদীতে বর্ণাঢ্য নৌশোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। দুপুরের পর থেকেই প্রতিমাগুলোকে সুসজ্জিত নৌকায় তোলা শুরু হয়। এরপর নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে এই নৌশোভাযাত্রা। সন্ধ্যায় নদীর বুকে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটবে দুর্গোৎসবের।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্র জানায়, এ বছর নওগাঁ জেলায় ৮৩৬টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব হচ্ছে। 

 

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন