আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস: সচেতনতাই এই রোগ প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি
পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর, ‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস’। জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশের মতো পটুয়াখালীতেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
‘জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করি, একসাথে জীবন বাঁচাই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সচেতনতামূলক র্যালি, আলোচনা সভা এবং কুকুরকে বিনামূল্যে জলাতঙ্কবিরোধী প্রতিষেধক (ক্যানাইন র্যাবিস ভ্যাকসিন) প্রদান কর্মসূচি।
চিকিৎসকদের মতে, জলাতঙ্ক একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসবাহিত রোগ। তবে সঠিক সময়ে প্রতিষেধক গ্রহণের মাধ্যমে এটি শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। সাধারণত জলাতঙ্কে আক্রান্ত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল বা বেজির কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়।
প্রাণী কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা যেমন, ক্ষতস্থান পরিষ্কার, আক্রান্ত স্থানটি তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষারযুক্ত সাবান ও প্রচুর পরিমাণ চলমান পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুতে হবে।
দ্রুত টিকা গ্রহণ, ক্ষত পরিষ্কার করার পরপরই দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্কের টিকা (এন্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন) নিতে হবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল মানুষকে টিকা দিলেই জলাতঙ্ক সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এর জন্য বেওয়ারিশ ও পোষা কুকুর-বিড়ালকে গণ-টিকাদানের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, ‘এক স্বাস্থ্য’ (One Health) ধারণাকে সামনে রেখে মানুষ ও প্রাণীর যৌথ চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার ওপর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
আপনার মতামত লিখুন: