• ঢাকা
  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertise your products here

  1. অপরাধ

নওগাঁয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী অলিপ দত্ত হত্যা: আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য রনি গ্রেপ্তার


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:১৮ এএম;
নওগাঁয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী অলিপ দত্ত হত্যা: আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য রনি গ্রেপ্তার

মো: নাফিউর রহমান, মহাদেবপুর( নওগাঁ) প্রতিনিধি: 

 

নওগাঁর মহাদেবপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী অলিপ দত্ত হত্যা ও স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য রনি ওরফে রনি প্রামাণিককে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার রনি এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি ও দস্যুতার পাঁচটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মহাদেবপুর থানা এলাকায় নিজস্ব স্বর্ণের দোকান বন্ধ করে মূল্যবান স্বর্ণালংকার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী অলিপ দত্ত। রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের পর নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), মহাদেবপুর থানা পুলিশ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। পরবর্তী সময়ে তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যুক্ত হয়। নওগাঁ জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয় ব্রতের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, নওগাঁ শহরের বিভিন্ন স্থানে থাকা ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ক্যামেরার ফুটেজ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ অক্টোবর রাতে নওগাঁর আত্রাই থানা এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন রনি ওরফে রনি প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি প্রামাণিক নাটোর জেলার উত্তর আলাইপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাক ওরফে নামাজ আলীর ছেলে। তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন ও পাঁচটি ক্যাপ জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি ৩৩ থেকে ৩৪টি সিম ব্যবহার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি ও দস্যুতার পাঁচটি মামলা রয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে স্বর্ণ চুরি ও ডাকাতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দৈনিক পুনরুত্থান / পুনরুত্থান

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন